LATEST FASHION DESING
Wednesday, January 10, 2018
Fashion
Early Western travelers, traveling whether to Persia, Turkey, India, or China, would frequently remark on the absence of change in fashion in the respective places. The Japanese Shogun's secretary bragged (not completely accurately) to a Spanish visitor in 1609 that Japanese clothing had not changed in over a thousand years. However, there is considerable evidence in Ming China of rapidly changing fashions in Chinese clothing. Changes in costume often took place at times of economic or social change, as occurred in ancient Rome and the medieval Caliphate, followed by a long period without major changes. In 8th-century Moorish Spain, the musician Ziryab introduced to Córdoba.[unreliable source. sophisticated clothing-styles based on seasonal and daily fashions from his native Baghdad, modified by his own inspiration. Similar changes in fashion occurred in the 11th century in the Middle East following the arrival of the Turks, who introduced clothing styles from Central Asia and the Far East.[8]
Albrecht Dürer's drawing contrasts a well turned out bourgeoise from Nuremberg (left) with her counterpart from Venice. The Venetian lady's high chopines make her look taller.In the 16th century, national differences were at their most pronounced. Ten 16th century portraits of German or Italian gentlemen may show ten entirely different hats. Albrecht Dürer illustrated the differences in his actual (or composite) contrast of Nuremberg and Venetian fashions at the close of the 15th century (illustration, right). The "Spanish style" of the late 16th century began the move back to synchronicity among upper-class Europeans, and after a struggle in the mid-17th century, French styles decisively took over leadership, a process completed in the 18th century.
Thursday, November 30, 2017
গহনা কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল করবেন
বিশেষজ্ঞদের মতে, সোনার বা হীরার যে কোনো গহনা কিনতে গেলে খেয়াল রাখতে হবে এর ক্ল্যাসিক ডিজাইনের দিকে। গহনার ডিজাইনটা যেন এমন না হয় যে, কিছুদিন পরলেন তারপরই তার চল চলে গেল আর তা পুরানো হয়ে গেল। গহনা সবসময়ের জন্য! তাই তা কেনার সময় সেই বিষয়টা মাথায় রেখে কিনবেন।
আর দেখবেন তার ওজন যেন ঠিক মত হয়, খুব ভারী গহনা সবসময় বা সব উপলক্ষে পরা যায় না, তাই দেখা যায় তা আলমারিতেই পরে থাকে। মনে রাখবেন গহনা গায়েই সুন্দর লাগে, তাই এমন গহনা কিনুন যা সবসময় পরার উপযোগী!
স্বর্ণ
সোনার গহনা সবসময়ের জন্য। কিন্তু তা কিনতে যাওয়ার সময় বা বানাতে চাইলে কিছু জিনিস অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। প্রত্যেকটা গহনা কেনার সময় তার গায়ে লেখা ক্যারট এবং এর পরিমাণ পরীক্ষা করে নিন। আর অবশ্যই সোনার বর্তমান দাম জেনে নিন। প্রতি গ্রাম এর জন্য মেকিং চার্জ এর হিসাব বুঝে নিন। আর সবশেষে বিলের কাগজ আর সোনার বিশুদ্ধতা পরীক্ষণের কাগজ বুঝে নিন।হীরা
হীরার কাট, ক্যারট এবং এর ঝলকানি ইত্যাদি দিয়েই হীরার বিশুদ্ধতা বোঝা যায়। রঙিন পাথরের বেলায় কিছু ব্যাপার জেনে রাখবেন। রঙকে লেভেলিং করা হয় D থেকে Z এর মধ্যে। রঙিন পাথর কেনার সময় দেখে নিন তা প্রেশিয়াস নাকি সেমি প্রেশিয়াস। কত ক্যারটের হীরা আপনি পছন্দ করেছেন জেনে নিন আগেই। একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে হীরার বিশুদ্ধতা শুধুমাত্র দেখেই আন্দাজ করা যায় না বা কোনো ঝামেলাও ধরা পরে না তাই অবশ্যই সার্টিফিকেট সমেত কিনবেন।

জড়োয়া:
কুন্দন বা মীনা করা গহনা দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি সব উপলক্ষেও মানিয়ে যায়। কিন্তু তা বুঝে কেনা ততটাই ঝামেলার। কুন্দরের গহনা সাধারণত ভারী হয় কারণ কুন্দনকে ধরে রাখতে হলে এর ছাচ পুরু করে বানাতে হয়। যদি গোল্ড প্লেটেড হয় তবে তা বুঝে নিন। এনামেল এর কাজ পরীক্ষা করে নিবেন। কারণ এই কাজ খুব সূক্ষ্ম হয় তাই এর কাজে সোনার উপস্থিতি বেশি থাকতে হয় না হলে তা মজবুত হয় না। সাধারণত এনামেলের উজ্জ্বল লাল রঙ দিয়ে এর বেশি পিউরিটি বা বিশুদ্ধতা বোঝায়। আর কুন্দনের উজ্জ্বলতা দেখতে ভুলবেন না।
কিছু বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে:
• হীরার রঙ সাধারণত সাদা থেকে বাদামী শেডের হয় ( হালকা বাদামী, বাদামী, গাঢ় বাদামী)।• সব রঙিন পাথর এর নিজের কিছু বিশেষত্ব থাকে। তাই তা জেনে কিনুন।
• সোনার দাম নির্ভর করে তার ওজন এবং কোয়ালিটির ওপর।
• যদি গোল্ডের গ্যারান্টি চান তাও নিয়ে নিবেন। অনেক দামী গহনার ক্ষেত্রে নিয়ে নেয়াই ভালো।
• সার্টিফিকেট নিতে ভুলে যাবেন না।
ফ্যাশনে সুতি শাড়ি
আরামে সুতি শাড়ি
বাঙালি নারীর সাজের পূর্ণতা কেবল শাড়িতে। ব্যস্ততার কারণে অনেকে শাড়ি এড়িয়ে চলেন। তবে এখন সময় পাল্টেছে। তরুণী থেকে শুরু করে সব বয়সী নারীরাই এখন নিজেকে রাঙিয়ে তোলেন বৈচিত্র্যময় শাড়িতে। অনেকেই কর্মস্থলে শাড়ি পরেন। তাছাড়া পার্টি কিংবা টুগেদার সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতায় নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি। এক্ষেত্রে সময়টাও বিবেচনায় রাখতে হবে। গরমে আরামের শাড়ি হিসেবে বেছে নিতে পারেন পছন্দের সুতি শাড়ি। সুতি কাপড়ে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং সহজে ঘাম শুষে নেয়। ফলে কড়া রোদেও আপনি থাকতে পারেন ঝামেলামুক্ত। এ ছাড়া গরম কম, বৃষ্টিস্নাত দিনেও নিজেকে রাঙাতে পারেন সুতি শাড়িতে। আরামদায়ক সুতি শাড়ি নতুনত্ব এনে দেবে আপনার সাজে।
বৈচিত্র্যময় সুতি শাড়ি
যুগ যুগ ধরে বাঙালির উৎসব থেকে শুরু করে নিত্যদিনের ব্যবহারে সুতির শাড়ি শুধু নির্ভরতার প্রতীকই নয় বরং এই শাড়ি এখন ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ। সুতি শাড়ি যেমন আরামদায়ক, তেমনি এর রূপ ও রং বৈচিত্র্যে সব বয়সীদের জন্য মানানসই। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সুতির শাড়ির আঁচল এবং পাড়ে নানা বৈচিত্র্য নিয়ে আসে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস। এ ছাড়া কুচিতেও থাকছে আলাদা ডিজাইন। এসব সুতির শাড়িতে থাকছে বাহারি নকশা। বিভিন্ন ফ্যাশন ডিজাইনাররা বর্তমানে সুতি শাড়িতে এনেছেন কাঁথা স্টিচ, ফুলেল ও জামদানি প্রিন্ট, কুচি প্রিন্ট, অ্যাপ্লিক, গুজরাটি কাজের মতো বাহারি নকশা। এ ছাড়াও তারা ফ্যাশনে এনেছেন কোটা, নেট সুতি ও ফাইন সুতির কিছু শাড়ি। সুতির মতোই দেখাবে এবং আরামদায়ক এমন হাফ সিল্কের শাড়িও রয়েছে।
কোথায় পাবেন
বাজারে বিভিন্ন দামের ও মানের সুতি শাড়ি রয়েছে। দেশীয় ফ্যাশর ঘর, বিবিয়ানা, সাদা-কালো, দেশাল, দেশী দশ, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, নগরদোলা, যাত্রা, অরণ্য, বাংলার মেলা ইত্যাদিতে বিভিন্ন ধরনের সুতি শাড়ি পাওয়া যাবে। আজিজ সুপার মার্কেটের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসে পাওয়া যাবে সুতি শাড়ির সম্ভার। দামের ক্ষেত্রেও সুতি শাড়ি গ্রাহকদের হাতের নাগালে। ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায় পেয়ে যাবেন বিভিন্ন মানের সুতি শাড়ি। তাঁতের ডিজাইনের শাড়িগুলোর দাম পড়বে সাড়ে ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। ব্লক করা শাড়ি ও অ্যাপ্লিক, এম্ব্রয়ডারি করা শাড়ির দাম পড়বে দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার টাকা।
ফ্যাশনে জুতা, নিন কিছু পরামর্শ
যাই পরেন না কেন, জুতা বাছাই সব সময় ঠিক থাকা উচিত।
কোনো পার্টিতে যাওয়া মানেই হাই হিল জুতা পরতে হবে এমন কোনো কথা নেই।
মনে রাখতেন, যতবারই জুতা কিনবেন আরামের কথা বিবেচনা করতে হবে। হাই হিল মানেই ফ্যাশনেবল নয়। যারা ফ্ল্যাট জুতা পছন্দ করেন তারা অনায়াসেই সেটাই পরতে পারেন। তা ছাড়া আবারো পাতলা জুতার ফ্যাশন ফিরে এসেছে।
ঐতিহ্যের সঙ্গে যায় এমন জুতা সব সময় ফ্যাশনেবল। এদের তুলনা নেই। নাগড়া বা চপ্পলে ঐতিহ্যের কারুকাজ কে না ভালোবাসেন? ভারতের জুতা ডিজাইনার লক্ষ্মীতা গোভিল বলেন, দিন-রাতে সব সময় যেকোনো অবস্থায় পাতলা নাগড়া টাইপের জুতা মাননসই হয়ে ওঠে। গতানুগতিক এসব জুতায় দারুণ সব নকশা ও আকৃতি দেওয়া হয়। তা ছাড়া পরতেও দারুণ আরাম।
জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের জন্য স্বর্ণের মতো চকচকে জুতার তুলনা নেই। এতে লাল বা মেরুন কারুকাজের সমন্বয় থাকতে পারে। এ ছাড়া ফ্লোরাল প্যাটার্নে আপনার স্টাইল ফুটে উঠবে। ব্রোকেড স্ট্র্যাপের জুতাও অসাধারণ। আবার একটু বেশি দামে ডিজাইনারদের জুতাও আপনার স্মার্ট পোশাকের সঙ্গে দিব্যি মানিয়ে যাবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হব?
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে?
আর দেরি কেন আপনিও হয়ে যান আগামীর ফ্যাশন ডিজাইনার,
বর্তমানে ফ্যাশন
ডিজাইনিং একটিজনপ্রিয় বিষয়। যদি
থাকে ক্রিয়েটিভিটি
তবে আপনিও হতে
পারেন আগামী দিনের
বিবি রাসেল। আসুন
জেনে নিই, ফ্যাশন
ডিজাইনিং-এ
ক্যারিয়ার গড়ার
খোঁজ খবর। আর এই
পরামর্শগুলো দিচ্ছেন
Destylio-এর
ডিজাইনার মোহাম্মদ
সামিদ।ফ্যাশন
ডিজানিং মানে শুধু
পোশাক ডিজাইন করা
নয়, পোশাকের
ফ্যাব্রিক, বুনন,
কাপড়ের গুণাবলী,
উপাদান, রং , নকশা
এবং পরিবর্তন
সম্পর্কেও জ্ঞান
রাখতে হয়”।
কোথায় পড়বেন
একসময় বাংলাদেশে
ফ্যশন ডিজাইনিং
নিয়ে পড়ালেখার
করার তেমন সু্যোগ
এখন বেশ কিছু
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
ফ্যাশন ডিজাইনিং
নিয়ে পড়ালেখা করা
যায়।
বাংলাদেশ
ইউনিভার্সিটি অফ
টেক্সটাইল
বিজিএমইএ
ইউনিভার্সিটি অফ
ফ্যাশন অ্যান্ড
টেকনোলোজি (BUFT)
শান্তা-মরিয়াম
ইউনিভার্সিটি অফ
ক্রিয়েটিভ
টেকনোলোজি
(SMUCT)
ন্যাশনাল
ইন্সটিটিউট অফ
ফ্যাশন টেকনোলজি
উত্তরা
ইউনিভার্সিটি
ঢাকা ইন্সটিটিউট
অফ ফ্যাশন ইত্যাদি।
কেমন পড়বে খরচ
ন্যাশনাল
বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়তে চাইলে
আনমুনিক ১,৮০,০০০
থেকে ২,৫০,০০০
পর্যন্ত পড়তে পারে।
যদি বেসরকারি
বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়তে চান তবে
৪,০০,০০০ থেকে
৬,০০,০০০ টাকা
পর্যন্ত পড়তে পারে।
কাজের ক্ষেত্র
টেক্সটাইল,
গার্মেন্টস, ফ্যাশন
ডিজাইনিং বিষয়ে
শিক্ষার্থীদের
বাংলাদেশে রয়েছে
চাকরির বিশাল
বাজার। বাংলাদেশ
সরকারের বিভিন্ন
টেক্সটাইল
ইন্ডাস্ট্রিতে
কাজের সুযোগের
পাশাপাশি বেসরকারি
পর্যায়ে স্থাপিত
দেশি-বিদেশি
টেক্সটাইল মিল,
বিভিন্ন বায়িং
অফিস, বুটিক হাউজ,
গার্মেন্টস শিল্প ও
ইন্ডাস্ট্রিতে
উৎপাদন
কার্যক্রমের সাথে
সরাসরি সম্পৃক্ত
হয়ে। এছাড়া চাইলে
কোন
বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রভাষকও হতে
পারেন।
Wednesday, November 29, 2017
চলুন দেখি ফ্যাশন ডিজাইনিং এর প্রাথমিক ধারণা
বাংলাদেশের মোট জাতীয় রপ্তানি আয়ের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই আসে পোশাক শিল্প থেকে। এ শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় ৪০ লাখ লোক। অর্থাৎ এক কথায় বলতে গেলে এ শিল্পের মাধ্যমে দেশের উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।চলুন দেখি ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে কেমন ক্যারিয়ার।
এটি এমন একটি শিল্প মাধ্যম যার সাহায্যে একজন ডিজাইনার একটি পোশাককে উপজীব্য করে তার মননশীলতার পরিচয় দেন।ফ্যাশন ডিজাইনাররা বিভিন্নভাবে তাদের কাজগুলো করে থাকেন।কেউ কেউ তাদের আইডিয়াগুলো স্কেচের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন,কেউ সরাসরি ডিজাইনটি পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন।
পোশাক শিল্পে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন, উচ্চ আয়ের এবং যুগোপযোগী পেশা হলো বায়িং বা গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফ্যাশন ডিজাইনিং প্রভৃতি। গার্মেন্টস পরিচালনার জন্য দক্ষ পেশাদারের প্রয়োজন। আর এসব পেশাদার শ্রেণীর চাহিদা মেটাতে অনেক সময় দেশ ছাড়াও দেশের বাইরে থেকে দক্ষতাসম্পন্নদের আনা হয়। তবে এ জন্য শিক্ষার্থীদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। শুধু চাকরি নয়, এসব ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন। কাজেই কারো যদি এসব বিষয়ে প্রফেশনাল ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণ থাকে তাহলে তিনি শুরুতেই আকর্ষণীয় বেতনে যেকোনো পোশাক শিল্পে চাকরি পাবেন।
কোর্সসমূহ : ফ্যাশন ডিজাইনে রয়েছে ছয় মাস থেকে এক বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স; অন্য দিকে উচ্চ ডিগ্রির ক্ষেত্রে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি; অ্যাপারেল ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি; নিটওয়্যার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজির ওপর অনার্স কোর্স এবং এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং প্রভৃতি । এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের পর যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থীরা এসব কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।
ভ কোথায় পড়বেন : বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ফ্যাশান বিশ্ব বিদ্যালয় এবং ইনস্টিটিউট আছে। তার মধ্যে -
• Bangladesh University of Textiles• BGMEA University Of Fashion and Technology. (BUFT)
• Shanto-mariam University of Creative Technology. (SMUCT)
• Raffles Design Institute, Dhaka
• National Institute of Fashion Technology (NIFT)
বৃত্তি বা উচ্চ শিক্ষাঃ ফ্যাশন ডিজাইনিং এ পড়া অবস্থায় যোগ্যতা ভেদে পেতে পারেন বিভিন্ন মানের বৃত্তি। প্রায় সবগুলু প্রতিষ্ঠানের সাথেই আছে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি। যদি আপনার প্রতিভা থাকে তাহলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়া খুব একটা কঠিন না। বাংলাদেশের অনেক ডিজাইনারই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করছে।
পড়ালেখার খরচ : গতানুগতিক বিষয়ে পড়ালেখা করে চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় নষ্ট হয়। সেদিক দিয়ে শিক্ষার্থীরা সাধারণ ডিগ্রির চেয়ে কম সময়ে সেশনজট ছাড়া ফ্যাশন ও গার্মেন্টস টেকনোলজিতে বিএসসি অনার্স, এমবিএ ডিগ্রিতে ভর্তি হতে পারেন। এসব ডিগ্রি অর্জনকারীরা শিক্ষারত অবস্থায় চাকরি করে আয় করতে পারেন। কাজেই নিজের আয় থেকেই শিক্ষার্থীরা শিক্ষার ব্যয় চালাতে পারেন।
চাকরির সুযোগ : টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি- বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্প ও ইন্ডাস্ট্রিতে উৎপাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যেতে হয় তাদের। মূলত টেক্সটাইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদেরকে যেকোন ছোট বড় টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রির পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচিত করা হয়। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যাংক এবং শিল্প ঋণ প্রদানকারী সংস্থাসমূহের শিল্পঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)













